ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

দুই হাতের আঙুল নেই, পা দিয়ে লিখে স্বপ্নের পথে কলি

দুই হাতের আঙুল নেই, পা দিয়ে লিখে স্বপ্নের পথে কলি

এইচএসসিতে ৩০০ পরীক্ষার্থীর ২৪৭ জনই ফেল, শিক্ষকদের ফুল দিয়ে ছাত্রদলের অভিনব প্রতিবাদ

এইচএসসিতে ৩০০ পরীক্ষার্থীর ২৪৭ জনই ফেল, শিক্ষকদের ফুল দিয়ে ছাত্রদলের অভিনব প্রতিবাদ

দুর্ঘটনায় পা ভেঙে অসহায় বাবা, মায়ের সঙ্গে যায়নি ছোট্ট মেয়ে! বাবার সেবায় দিন কাটছে শিশুটির

দুর্ঘটনায় পা ভেঙে অসহায় বাবা, মায়ের সঙ্গে যায়নি ছোট্ট মেয়ে! বাবার সেবায় দিন কাটছে শিশুটির

দুই হাত নেই, পা দিয়ে লিখেই এইচএসসিতে জিপিএ-৫! বিজ্ঞানী হওয়ার স্বপ্ন অদম্য মেধাবী রাব্বির

দুই হাত নেই, পা দিয়ে লিখেই এইচএসসিতে জিপিএ-৫! বিজ্ঞানী হওয়ার স্বপ্ন অদম্য মেধাবী রাব্বির

রেডিও শোনার নেশায় বিক্রি করেছিলেন ৬ বিঘা জমি, কেন এমন পাগলামি?

রেডিও শোনার নেশায় বিক্রি করেছিলেন ৬ বিঘা জমি, কেন এমন পাগলামি?

৫২ বছর বয়সে এইচএসসিতে জিপিএ ৪.২১, স্বপ্নপূরণে অনন্য দৃষ্টান্ত শেফালী বেগমের

৫২ বছর বয়সে এইচএসসিতে জিপিএ ৪.২১, স্বপ্নপূরণে অনন্য দৃষ্টান্ত শেফালী বেগমের

ফার্মেসিতে অভিযান, অনিয়ম না পেয়ে জরিমানা ছাড়াই ফিরলেন জব্বার স্যার

ফার্মেসিতে অভিযান, অনিয়ম না পেয়ে জরিমানা ছাড়াই ফিরলেন জব্বার স্যার

পাবনার সোনাপাতি বিলে বজ্রপাতে ঝরে গেল তরুণ ও কিশোরদের প্রাণ

পাবনার সোনাপাতি বিলে বজ্রপাতে ঝরে গেল তরুণ ও কিশোরদের প্রাণ

২৬ বছর ধরে একাকী জীবন কাটাচ্ছেন ৭৫ বছরের মজিবুর রহমান

টাকা ফুরাতেই ফুরিয়ে গেল আপনজন! ২৬ বছর ধরে একাকী বৃদ্ধ মজিবুর রহমান

টাকা ফুরাতেই ফুরিয়ে গেল আপনজন! ২৬ বছর ধরে একাকী বৃদ্ধ মজিবুর রহমান

টাকা ফুরাতেই ফুরিয়ে গেল আপনজন! ২৬ বছর ধরে একাকী বৃদ্ধ মজিবুর রহমান।

টাকা শেষ, শেষ হলো আপনজনও! ২৬ বছর ধরে একাকী জীবন কাটাচ্ছেন ৭৫ বছরের মজিবুর রহমান

অসুস্থতা শুধু শরীরই ভেঙে দেয়নি, কেড়ে নিয়েছে সংসার, সঞ্চয় আর আপনজনের সঙ্গও। টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের শখারিয়া এলাকায় যমুনা নদীর তীরে একটি ছোট্ট ঘরে দীর্ঘ ২৬ বছর ধরে একাকী জীবন কাটাচ্ছেন ৭৫ বছর বয়সী মজিবুর রহমান।

১৯৭৪ সালে এসএসসি পাস করা মজিবুর রহমান একসময় ঢাকায় ভালো বেতনের চাকরি করতেন। স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে ছিল সুখের সংসার। কিন্তু চাকরিরত অবস্থায় হঠাৎ স্ট্রোক করে প্যারালাইজড হয়ে পড়েন তিনি। দীর্ঘ চিকিৎসায় জীবনের সব সঞ্চয় শেষ হয়ে যায়। চিকিৎসার খরচ মেটাতে একপর্যায়ে গ্রামের জমিও বিক্রি করতে বাধ্য হন।

মজিবুর রহমানের অভিযোগ, নিঃস্ব হয়ে যাওয়ার পর স্ত্রী দুই মেয়েকে নিয়ে তাকে ছেড়ে চলে যান এবং পরে তালাক দেন। এরপর থেকে তিনি একাই জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন। কয়েক বছর আগে তার কাছে পাঁচ লাখ টাকা রয়েছে জানতে পেরে বড় মেয়ে তাকে নিজের কাছে নিয়ে যান। চিকিৎসার পর অবশিষ্ট আড়াই লাখ টাকা নিয়ে তাকে আবার বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় বলেও দাবি করেন তিনি। বর্তমানে দুই মেয়ের কেউই তার কোনো খোঁজ নেন না বলে জানান এই বৃদ্ধ।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে মজিবুর রহমান বলেন, "কষ্ট খুবই কষ্টের। মনে হয় আত্মাটাই যেন মরে যায়।"

তবে রক্তের সম্পর্ক পাশে না থাকলেও মানবতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন স্থানীয় এক নারী। গত পাঁচ বছর ধরে তিনি প্রতিদিন তিন বেলা খাবার দিয়ে মজিবুর রহমানের পাশে রয়েছেন। এলাকাবাসীও তার চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন।

জীবনের শেষ সময়ে মজিবুর রহমানের একটাই প্রত্যাশা—সরকার যেন তাকে একটি বৃদ্ধাশ্রমে থাকার সুযোগ করে দেয়। তার ভাষায়, "বৃদ্ধাশ্রমে থাকলে অন্তত শান্তিতে বাঁচতে পারতাম।"

এদিকে, যে মানবিক নারী দীর্ঘদিন ধরে তাকে খাবার দিচ্ছেন, তিনিও সরকারের কাছে মজিবুর রহমানের চিকিৎসা, নিরাপদ বাসস্থান এবং সম্মানের সঙ্গে বেঁচে থাকার ব্যবস্থা করার আহ্বান জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬


টাকা ফুরাতেই ফুরিয়ে গেল আপনজন! ২৬ বছর ধরে একাকী বৃদ্ধ মজিবুর রহমান

প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬

featured Image

টাকা ফুরাতেই ফুরিয়ে গেল আপনজন! ২৬ বছর ধরে একাকী বৃদ্ধ মজিবুর রহমান।

টাকা শেষ, শেষ হলো আপনজনও! ২৬ বছর ধরে একাকী জীবন কাটাচ্ছেন ৭৫ বছরের মজিবুর রহমান

অসুস্থতা শুধু শরীরই ভেঙে দেয়নি, কেড়ে নিয়েছে সংসার, সঞ্চয় আর আপনজনের সঙ্গও। টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের শখারিয়া এলাকায় যমুনা নদীর তীরে একটি ছোট্ট ঘরে দীর্ঘ ২৬ বছর ধরে একাকী জীবন কাটাচ্ছেন ৭৫ বছর বয়সী মজিবুর রহমান।

১৯৭৪ সালে এসএসসি পাস করা মজিবুর রহমান একসময় ঢাকায় ভালো বেতনের চাকরি করতেন। স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে ছিল সুখের সংসার। কিন্তু চাকরিরত অবস্থায় হঠাৎ স্ট্রোক করে প্যারালাইজড হয়ে পড়েন তিনি। দীর্ঘ চিকিৎসায় জীবনের সব সঞ্চয় শেষ হয়ে যায়। চিকিৎসার খরচ মেটাতে একপর্যায়ে গ্রামের জমিও বিক্রি করতে বাধ্য হন।

মজিবুর রহমানের অভিযোগ, নিঃস্ব হয়ে যাওয়ার পর স্ত্রী দুই মেয়েকে নিয়ে তাকে ছেড়ে চলে যান এবং পরে তালাক দেন। এরপর থেকে তিনি একাই জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন। কয়েক বছর আগে তার কাছে পাঁচ লাখ টাকা রয়েছে জানতে পেরে বড় মেয়ে তাকে নিজের কাছে নিয়ে যান। চিকিৎসার পর অবশিষ্ট আড়াই লাখ টাকা নিয়ে তাকে আবার বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় বলেও দাবি করেন তিনি। বর্তমানে দুই মেয়ের কেউই তার কোনো খোঁজ নেন না বলে জানান এই বৃদ্ধ।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে মজিবুর রহমান বলেন, "কষ্ট খুবই কষ্টের। মনে হয় আত্মাটাই যেন মরে যায়।"

তবে রক্তের সম্পর্ক পাশে না থাকলেও মানবতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন স্থানীয় এক নারী। গত পাঁচ বছর ধরে তিনি প্রতিদিন তিন বেলা খাবার দিয়ে মজিবুর রহমানের পাশে রয়েছেন। এলাকাবাসীও তার চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন।

জীবনের শেষ সময়ে মজিবুর রহমানের একটাই প্রত্যাশা—সরকার যেন তাকে একটি বৃদ্ধাশ্রমে থাকার সুযোগ করে দেয়। তার ভাষায়, "বৃদ্ধাশ্রমে থাকলে অন্তত শান্তিতে বাঁচতে পারতাম।"

এদিকে, যে মানবিক নারী দীর্ঘদিন ধরে তাকে খাবার দিচ্ছেন, তিনিও সরকারের কাছে মজিবুর রহমানের চিকিৎসা, নিরাপদ বাসস্থান এবং সম্মানের সঙ্গে বেঁচে থাকার ব্যবস্থা করার আহ্বান জানিয়েছেন।


ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল