১৯৬৫ সালে গান ও খবর শোনার প্রবল আগ্রহ থেকে পাঁচ বিঘা পৈতৃক জমি বিক্রি করে জাপানের NEC কোম্পানির তৈরি একটি রেডিও কেনেন তিনি। রেডিওটি চালানোর ব্যাটারির জন্য বিক্রি করেন আরও এক বিঘা জমি।
একসময় তাঁর বাড়িতে রেডিও শুনতে আশপাশের গ্রাম থেকে শত শত মানুষ ভিড় করতেন। কিন্তু অভাবের কারণে ১৯৭২ সালে সেই প্রিয় রেডিওটিই মাত্র ১৮০ টাকায় বিক্রি করতে বাধ্য হন তিনি।
২০১৪ সালে দেলোয়ার হোসেনের মৃত্যুর আট বছর পর, ২০২২ সালে তাঁর ছেলে আলতাফ হোসেন দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পর রেডিওটি আবার বাড়িতে ফিরিয়ে আনেন।
তবে ফিরে আসেনি রেডিওর সেই পরিচিত কণ্ঠস্বর। আটটি বড় ব্যাটারি প্রয়োজন হওয়ায় প্রায় ৪০০ টাকা খরচ করে সেটি চালানোর সামর্থ্য হয়নি পরিবারের।
একসময় যে রেডিও কিনতে ছয় বিঘা জমি বিক্রি হয়েছিল, অর্ধশতাব্দী পর সেই রেডিও চালানোর ব্যাটারির টাকাটুকুও জোগাড় করা সম্ভব হয়নি। রেডিওটি আজ শুধু একটি যন্ত্র নয়, হয়ে আছে এক মানুষের স্বপ্ন, শখ আর হারিয়ে যাওয়া সময়ের নীরব স্মৃতি।

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
১৯৬৫ সালে গান ও খবর শোনার প্রবল আগ্রহ থেকে পাঁচ বিঘা পৈতৃক জমি বিক্রি করে জাপানের NEC কোম্পানির তৈরি একটি রেডিও কেনেন তিনি। রেডিওটি চালানোর ব্যাটারির জন্য বিক্রি করেন আরও এক বিঘা জমি।
একসময় তাঁর বাড়িতে রেডিও শুনতে আশপাশের গ্রাম থেকে শত শত মানুষ ভিড় করতেন। কিন্তু অভাবের কারণে ১৯৭২ সালে সেই প্রিয় রেডিওটিই মাত্র ১৮০ টাকায় বিক্রি করতে বাধ্য হন তিনি।
২০১৪ সালে দেলোয়ার হোসেনের মৃত্যুর আট বছর পর, ২০২২ সালে তাঁর ছেলে আলতাফ হোসেন দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পর রেডিওটি আবার বাড়িতে ফিরিয়ে আনেন।
তবে ফিরে আসেনি রেডিওর সেই পরিচিত কণ্ঠস্বর। আটটি বড় ব্যাটারি প্রয়োজন হওয়ায় প্রায় ৪০০ টাকা খরচ করে সেটি চালানোর সামর্থ্য হয়নি পরিবারের।
একসময় যে রেডিও কিনতে ছয় বিঘা জমি বিক্রি হয়েছিল, অর্ধশতাব্দী পর সেই রেডিও চালানোর ব্যাটারির টাকাটুকুও জোগাড় করা সম্ভব হয়নি। রেডিওটি আজ শুধু একটি যন্ত্র নয়, হয়ে আছে এক মানুষের স্বপ্ন, শখ আর হারিয়ে যাওয়া সময়ের নীরব স্মৃতি।

আপনার মতামত লিখুন