আল্লাহ সাক্ষী, ১৪ মাসে এক কাপ চায়ের টাকাও নেইনি, দুর্নীতি তো দূরের কথা”—হাসনাত আব্দুল্লাহ
রাজনীতিতে সততা ও জবাবদিহিতার প্রশ্নে স্পষ্ট অবস্থান জানালেন রাজনৈতিক নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ। দায়িত্ব পালনের পুরো সময়জুড়ে কোনো ধরনের অনৈতিক সুবিধা বা দুর্নীতিতে জড়িত ছিলেন না বলে দৃঢ় কণ্ঠে দাবি করেছেন তিনি।
সম্প্রতি এক বক্তব্যে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, “আল্লাহ সাক্ষী, গত ১৪ মাসে আমি এক কাপ চায়ের টাকাও নেইনি। দুর্নীতি করার প্রশ্নই আসে না।” তার এই বক্তব্য ইতোমধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
তিনি বলেন, রাজনীতি যদি জনগণের সেবার জায়গা না হয়, তাহলে তা অর্থহীন হয়ে পড়ে। ব্যক্তিগত লাভ বা সুবিধার জন্য তিনি কখনো রাজনীতিতে আসেননি উল্লেখ করে হাসনাত আব্দুল্লাহ আরও বলেন, ক্ষমতা নয়—তার কাছে মুখ্য হলো মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস।
বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় সৎ রাজনীতিবিদদের নিয়ে নানা ধরনের অপপ্রচার চালানো হয়। তবে এসব অপপ্রচারে তিনি বিচলিত নন বলেও জানান। তার ভাষায়, “আমি জানি আমি কী করেছি, কী করিনি। মানুষের কাছে নয়, আল্লাহর কাছেই আমাকে জবাব দিতে হবে।”
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, রাজনীতিতে স্বচ্ছতা ও নৈতিকতা প্রতিষ্ঠা করতে হলে ব্যক্তিগত উদাহরণ সৃষ্টি করতে হয়। তিনি দাবি করেন, তার দায়িত্বকালীন সময়ে কোনো সরকারি সুবিধা গ্রহণ, কমিশন বাণিজ্য বা আর্থিক অনিয়মের সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন না।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এমন বক্তব্য সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক বার্তা দিতে পারে। বিশেষ করে দুর্নীতিবিরোধী রাজনীতির প্রশ্নে এটি একটি শক্ত অবস্থান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
শেষে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, তিনি রাজনীতি করেন জনগণের অধিকার আদায় ও ন্যায়ের পক্ষে কথা বলার জন্য। ভবিষ্যতেও এই আদর্শ থেকে একচুলও সরে আসবেন না বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জানুয়ারি ২০২৬
আল্লাহ সাক্ষী, ১৪ মাসে এক কাপ চায়ের টাকাও নেইনি, দুর্নীতি তো দূরের কথা”—হাসনাত আব্দুল্লাহ
রাজনীতিতে সততা ও জবাবদিহিতার প্রশ্নে স্পষ্ট অবস্থান জানালেন রাজনৈতিক নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ। দায়িত্ব পালনের পুরো সময়জুড়ে কোনো ধরনের অনৈতিক সুবিধা বা দুর্নীতিতে জড়িত ছিলেন না বলে দৃঢ় কণ্ঠে দাবি করেছেন তিনি।
সম্প্রতি এক বক্তব্যে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, “আল্লাহ সাক্ষী, গত ১৪ মাসে আমি এক কাপ চায়ের টাকাও নেইনি। দুর্নীতি করার প্রশ্নই আসে না।” তার এই বক্তব্য ইতোমধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
তিনি বলেন, রাজনীতি যদি জনগণের সেবার জায়গা না হয়, তাহলে তা অর্থহীন হয়ে পড়ে। ব্যক্তিগত লাভ বা সুবিধার জন্য তিনি কখনো রাজনীতিতে আসেননি উল্লেখ করে হাসনাত আব্দুল্লাহ আরও বলেন, ক্ষমতা নয়—তার কাছে মুখ্য হলো মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস।
বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় সৎ রাজনীতিবিদদের নিয়ে নানা ধরনের অপপ্রচার চালানো হয়। তবে এসব অপপ্রচারে তিনি বিচলিত নন বলেও জানান। তার ভাষায়, “আমি জানি আমি কী করেছি, কী করিনি। মানুষের কাছে নয়, আল্লাহর কাছেই আমাকে জবাব দিতে হবে।”
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, রাজনীতিতে স্বচ্ছতা ও নৈতিকতা প্রতিষ্ঠা করতে হলে ব্যক্তিগত উদাহরণ সৃষ্টি করতে হয়। তিনি দাবি করেন, তার দায়িত্বকালীন সময়ে কোনো সরকারি সুবিধা গ্রহণ, কমিশন বাণিজ্য বা আর্থিক অনিয়মের সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন না।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এমন বক্তব্য সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক বার্তা দিতে পারে। বিশেষ করে দুর্নীতিবিরোধী রাজনীতির প্রশ্নে এটি একটি শক্ত অবস্থান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
শেষে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, তিনি রাজনীতি করেন জনগণের অধিকার আদায় ও ন্যায়ের পক্ষে কথা বলার জন্য। ভবিষ্যতেও এই আদর্শ থেকে একচুলও সরে আসবেন না বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন