ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫

মাদক-স'ন্ত্রাস ও চাঁ'দাবাজি দূর করার প্রতিশ্রুতি ইব্রাহিমের, পাশে থাকার ঘোষণা স্থানীয়দের

মাদক-স'ন্ত্রাস ও চাঁ'দাবাজি দূর করার প্রতিশ্রুতি ইব্রাহিমের, পাশে থাকার ঘোষণা স্থানীয়দের

উনত্রিশের আহ্বান, রক্তদানে বাঁচুক প্রাণ’: কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজে ‘বাঁধন’-এর ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

উনত্রিশের আহ্বান, রক্তদানে বাঁচুক প্রাণ’: কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজে ‘বাঁধন’-এর ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

সারে তিন  মিনিটে মন্ত্রীকে ৪৫  বার ‘স্যার’, ডাকা  সেই ইউএনও আবারও আলোচনায়।

সারে তিন মিনিটে মন্ত্রীকে ৪৫ বার ‘স্যার’, ডাকা সেই ইউএনও আবারও আলোচনায়।

বেগমগঞ্জে ধীতপুর ইয়াং স্টার স্পোর্টিং ক্লাবের ফুটবল ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

বেগমগঞ্জে ধীতপুর ইয়াং স্টার স্পোর্টিং ক্লাবের ফুটবল ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

নোয়াখালীতে ভাড়া বাসা থেকে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত ম'রদেহ উদ্ধার

নোয়াখালীতে ভাড়া বাসা থেকে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত ম'রদেহ উদ্ধার

জিয়ানগরে অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত হোটেল, ক্ষতি ১০ লাখ টাকা

জিয়ানগরে অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত হোটেল, ক্ষতি ১০ লাখ টাকা

৩৫ বছরের শিক্ষকতা শেষে বিদায়, আবেগঘন সিদ্ধার্থ স্যারের শেষ কর্মদিবস

৩৫ বছরের শিক্ষকতা শেষে বিদায়, আবেগঘন সিদ্ধার্থ স্যারের শেষ কর্মদিবস

জিয়ানগরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

জিয়ানগরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

গাজায় গণহত্যা: মুখে নিন্দা, আড়ালে ইসরাইলের সহযোগী ছয় আরব দেশ

গাজায় গণহত্যা: মুখে নিন্দা, আড়ালে ইসরাইলের সহযোগী ছয় আরব দেশ
গাজায় গণহত্যা: মুখে নিন্দা, আড়ালে ইসরাইলের সহযোগী ছয় আরব দেশ গাজায় ইসরাইলের নির্মম গণহত্যার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ক্ষোভ দেখালেও, গোপনে সেই হত্যাযজ্ঞের সহযোগী হয়ে উঠেছে মধ্যপ্রাচ্যের ছয় প্রভাবশালী আরব দেশ—সৌদি আরব, মিশর, জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও কাতার। যুক্তরাষ্ট্রের দৈনিক দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট–এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য। প্রতিবেদনটি জানায়, গাজায় রক্তপাত চলার সময়ও এই দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ইসরাইলের সঙ্গে “আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো” নামে এক গোপন সামরিক জোটে অংশ নেয়। যদিও প্রকাশ্যে তারা ইসরাইলি আগ্রাসনের নিন্দা করেছে, বাস্তবে তারা পর্দার আড়ালে একই আগ্রাসনের অংশীদার ছিল। ওয়াশিংটন পোস্ট ও ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অব ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্টসের হাতে পাওয়া মার্কিন গোপন নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)–এর নেতৃত্বে এই গোপন জোট গঠিত হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানের ‘হুমকি মোকাবিলা’ই এর লক্ষ্য বলা হলেও, বাস্তবে এর বড় অংশের কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে গাজা ও হামাসবিরোধী অভিযানে। এই সহযোগিতার আওতায় আরব দেশগুলোর সামরিক বাহিনী ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথ মহড়ায় অংশ নেয়—বিশেষ করে টানেল যুদ্ধ, আকাশ প্রতিরক্ষা এবং সাইবার গোয়েন্দা অভিযানে। গোপন তথ্য অনুযায়ী, গাজার বোমাবর্ষণে ইসরাইল এসব যৌথ প্রশিক্ষণ থেকে পাওয়া কৌশলই ব্যবহার করেছে। ২০২৪ সালের মধ্যে এই ছয় দেশ যুক্তরাষ্ট্রের রাডার ও সেন্সর নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে পড়ে, যা “ইরানবিরোধী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা” হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও বাস্তবে তেল আবিবের সঙ্গে তাদের সামরিক সমন্বয়কেই আরও শক্তিশালী করে। সেপ্টেম্বর মাসে ইসরাইলের বিমান হামলায় দোহায় একাধিক হামাস নেতা নিহত হওয়ার পর এই গোপন জোট বড় সংকটে পড়ে। তখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে কাতারের কাছে দুঃখ প্রকাশ করতে বাধ্য করেন—প্রকাশ পায় জোটের অন্তরালে থাকা গভীর দ্বন্দ্ব। বিশ্লেষকদের মতে, আরব নেতারা একদিকে ইসরাইলের ক্রমবর্ধমান সামরিক প্রভাবকে ভয় পায়, অন্যদিকে নিজেদের নিরাপত্তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল। এই দ্বৈত নির্ভরতা ও স্বার্থের রাজনীতিই শেষ পর্যন্ত গাজার অসহায় জনগণের প্রতি এক নির্মম বিশ্বাসঘাতকতায় পরিণত হয়েছে। গাজার রক্তভেজা মাটি তাই আজও সাক্ষ্য দিচ্ছে—যে বন্ধুর মুখে সমবেদনা, তার হাতেই কখনও কখনও লুকিয়ে থাকে ছুরির আঁচ।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬


গাজায় গণহত্যা: মুখে নিন্দা, আড়ালে ইসরাইলের সহযোগী ছয় আরব দেশ

প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৫

featured Image
গাজায় গণহত্যা: মুখে নিন্দা, আড়ালে ইসরাইলের সহযোগী ছয় আরব দেশ গাজায় ইসরাইলের নির্মম গণহত্যার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ক্ষোভ দেখালেও, গোপনে সেই হত্যাযজ্ঞের সহযোগী হয়ে উঠেছে মধ্যপ্রাচ্যের ছয় প্রভাবশালী আরব দেশ—সৌদি আরব, মিশর, জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও কাতার। যুক্তরাষ্ট্রের দৈনিক দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট–এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য। প্রতিবেদনটি জানায়, গাজায় রক্তপাত চলার সময়ও এই দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ইসরাইলের সঙ্গে “আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো” নামে এক গোপন সামরিক জোটে অংশ নেয়। যদিও প্রকাশ্যে তারা ইসরাইলি আগ্রাসনের নিন্দা করেছে, বাস্তবে তারা পর্দার আড়ালে একই আগ্রাসনের অংশীদার ছিল। ওয়াশিংটন পোস্ট ও ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অব ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্টসের হাতে পাওয়া মার্কিন গোপন নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)–এর নেতৃত্বে এই গোপন জোট গঠিত হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানের ‘হুমকি মোকাবিলা’ই এর লক্ষ্য বলা হলেও, বাস্তবে এর বড় অংশের কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে গাজা ও হামাসবিরোধী অভিযানে। এই সহযোগিতার আওতায় আরব দেশগুলোর সামরিক বাহিনী ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথ মহড়ায় অংশ নেয়—বিশেষ করে টানেল যুদ্ধ, আকাশ প্রতিরক্ষা এবং সাইবার গোয়েন্দা অভিযানে। গোপন তথ্য অনুযায়ী, গাজার বোমাবর্ষণে ইসরাইল এসব যৌথ প্রশিক্ষণ থেকে পাওয়া কৌশলই ব্যবহার করেছে। ২০২৪ সালের মধ্যে এই ছয় দেশ যুক্তরাষ্ট্রের রাডার ও সেন্সর নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে পড়ে, যা “ইরানবিরোধী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা” হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও বাস্তবে তেল আবিবের সঙ্গে তাদের সামরিক সমন্বয়কেই আরও শক্তিশালী করে। সেপ্টেম্বর মাসে ইসরাইলের বিমান হামলায় দোহায় একাধিক হামাস নেতা নিহত হওয়ার পর এই গোপন জোট বড় সংকটে পড়ে। তখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে কাতারের কাছে দুঃখ প্রকাশ করতে বাধ্য করেন—প্রকাশ পায় জোটের অন্তরালে থাকা গভীর দ্বন্দ্ব। বিশ্লেষকদের মতে, আরব নেতারা একদিকে ইসরাইলের ক্রমবর্ধমান সামরিক প্রভাবকে ভয় পায়, অন্যদিকে নিজেদের নিরাপত্তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল। এই দ্বৈত নির্ভরতা ও স্বার্থের রাজনীতিই শেষ পর্যন্ত গাজার অসহায় জনগণের প্রতি এক নির্মম বিশ্বাসঘাতকতায় পরিণত হয়েছে। গাজার রক্তভেজা মাটি তাই আজও সাক্ষ্য দিচ্ছে—যে বন্ধুর মুখে সমবেদনা, তার হাতেই কখনও কখনও লুকিয়ে থাকে ছুরির আঁচ।

ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল