ইসরাইলের হয়ে লড়তে চায় না যুক্তরাষ্ট্র’—সিনেটের শুনানিতে সাবেক মেরিনের বিক্ষোভ
মার্কিন সিনেটের সশস্ত্র বাহিনী বিষয়ক উপকমিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ শুনানি চলছিল স্বাভাবিকভাবেই। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল ইরানকে লক্ষ্য করে সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল সামরিক হামলা এবং মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা। তবে শুনানির মাঝেই ঘটে যায় অপ্রত্যাশিত এক ঘটনা, যা মুহূর্তেই কক্ষের পরিবেশ উত্তপ্ত করে তোলে।
দর্শক সারি থেকে হঠাৎ দাঁড়িয়ে পড়েন সাবেক মার্কিন মেরিন সেনাসদস্য Brian McGinnis। সামরিক পোশাক পরা অবস্থায় তিনি সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump প্রশাসনের সামরিক কৌশলের বিরুদ্ধে।
চিৎকার করে তিনি বলতে থাকেন, “ইসরাইলের জন্য লড়তে কেউ চায় না।” তার এই আকস্মিক বিক্ষোভে মুহূর্তেই শুনানি কক্ষে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
বৃহস্পতিবার Al Jazeera প্রকাশিত একটি ভিডিও প্রতিবেদনে দেখা যায়, ব্রায়ান ম্যাকগিনিসকে থামানোর জন্য দ্রুত এগিয়ে আসে নিরাপত্তাকর্মীরা। কিন্তু তিনি থামেননি। বরং আরও জোরে বলতে থাকেন—“ইসরাইলের জন্য যুদ্ধে আমেরিকা তার ছেলেমেয়েদের পাঠাতে চায় না।”
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে একাধিক নিরাপত্তাকর্মী তাকে ঘিরে ফেলে এবং জোর করে হলরুম থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় তিনি দরজার সঙ্গে আঁকড়ে ধরে আবারও একই স্লোগান দিতে থাকেন—“ইসরাইলের জন্য লড়তে কেউ চায় না।”
শেষ পর্যন্ত ধস্তাধস্তির মধ্যেই তাকে কক্ষ থেকে বের করে দেওয়া হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ সময় তিনি আহতও হন।
জানা গেছে, নর্থ ক্যারোলাইনা অঙ্গরাজ্য থেকে গ্রিন পার্টির হয়ে সিনেট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পরিকল্পনা রয়েছে ব্রায়ান ম্যাকগিনিসের। একজন সাবেক সেনাসদস্য হিসেবে তার এই প্রকাশ্য প্রতিবাদ যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক নীতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক তৎপরতা বাড়তে থাকায় ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক বিতর্কও তীব্র হয়ে উঠছে। এমন পরিস্থিতিতে সিনেটের মতো গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে এই ধরনের বিক্ষোভ যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ মতভেদের একটি স্পষ্ট প্রতিফলন বলে মনে করছেন তারা।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬
ইসরাইলের হয়ে লড়তে চায় না যুক্তরাষ্ট্র’—সিনেটের শুনানিতে সাবেক মেরিনের বিক্ষোভ
মার্কিন সিনেটের সশস্ত্র বাহিনী বিষয়ক উপকমিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ শুনানি চলছিল স্বাভাবিকভাবেই। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল ইরানকে লক্ষ্য করে সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল সামরিক হামলা এবং মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা। তবে শুনানির মাঝেই ঘটে যায় অপ্রত্যাশিত এক ঘটনা, যা মুহূর্তেই কক্ষের পরিবেশ উত্তপ্ত করে তোলে।
দর্শক সারি থেকে হঠাৎ দাঁড়িয়ে পড়েন সাবেক মার্কিন মেরিন সেনাসদস্য Brian McGinnis। সামরিক পোশাক পরা অবস্থায় তিনি সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump প্রশাসনের সামরিক কৌশলের বিরুদ্ধে।
চিৎকার করে তিনি বলতে থাকেন, “ইসরাইলের জন্য লড়তে কেউ চায় না।” তার এই আকস্মিক বিক্ষোভে মুহূর্তেই শুনানি কক্ষে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
বৃহস্পতিবার Al Jazeera প্রকাশিত একটি ভিডিও প্রতিবেদনে দেখা যায়, ব্রায়ান ম্যাকগিনিসকে থামানোর জন্য দ্রুত এগিয়ে আসে নিরাপত্তাকর্মীরা। কিন্তু তিনি থামেননি। বরং আরও জোরে বলতে থাকেন—“ইসরাইলের জন্য যুদ্ধে আমেরিকা তার ছেলেমেয়েদের পাঠাতে চায় না।”
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে একাধিক নিরাপত্তাকর্মী তাকে ঘিরে ফেলে এবং জোর করে হলরুম থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় তিনি দরজার সঙ্গে আঁকড়ে ধরে আবারও একই স্লোগান দিতে থাকেন—“ইসরাইলের জন্য লড়তে কেউ চায় না।”
শেষ পর্যন্ত ধস্তাধস্তির মধ্যেই তাকে কক্ষ থেকে বের করে দেওয়া হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ সময় তিনি আহতও হন।
জানা গেছে, নর্থ ক্যারোলাইনা অঙ্গরাজ্য থেকে গ্রিন পার্টির হয়ে সিনেট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পরিকল্পনা রয়েছে ব্রায়ান ম্যাকগিনিসের। একজন সাবেক সেনাসদস্য হিসেবে তার এই প্রকাশ্য প্রতিবাদ যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক নীতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক তৎপরতা বাড়তে থাকায় ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক বিতর্কও তীব্র হয়ে উঠছে। এমন পরিস্থিতিতে সিনেটের মতো গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে এই ধরনের বিক্ষোভ যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ মতভেদের একটি স্পষ্ট প্রতিফলন বলে মনে করছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন