ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫

মাদক-স'ন্ত্রাস ও চাঁ'দাবাজি দূর করার প্রতিশ্রুতি ইব্রাহিমের, পাশে থাকার ঘোষণা স্থানীয়দের

মাদক-স'ন্ত্রাস ও চাঁ'দাবাজি দূর করার প্রতিশ্রুতি ইব্রাহিমের, পাশে থাকার ঘোষণা স্থানীয়দের

উনত্রিশের আহ্বান, রক্তদানে বাঁচুক প্রাণ’: কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজে ‘বাঁধন’-এর ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

উনত্রিশের আহ্বান, রক্তদানে বাঁচুক প্রাণ’: কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজে ‘বাঁধন’-এর ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

সারে তিন  মিনিটে মন্ত্রীকে ৪৫  বার ‘স্যার’, ডাকা  সেই ইউএনও আবারও আলোচনায়।

সারে তিন মিনিটে মন্ত্রীকে ৪৫ বার ‘স্যার’, ডাকা সেই ইউএনও আবারও আলোচনায়।

বেগমগঞ্জে ধীতপুর ইয়াং স্টার স্পোর্টিং ক্লাবের ফুটবল ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

বেগমগঞ্জে ধীতপুর ইয়াং স্টার স্পোর্টিং ক্লাবের ফুটবল ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

নোয়াখালীতে ভাড়া বাসা থেকে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত ম'রদেহ উদ্ধার

নোয়াখালীতে ভাড়া বাসা থেকে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত ম'রদেহ উদ্ধার

জিয়ানগরে অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত হোটেল, ক্ষতি ১০ লাখ টাকা

জিয়ানগরে অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত হোটেল, ক্ষতি ১০ লাখ টাকা

৩৫ বছরের শিক্ষকতা শেষে বিদায়, আবেগঘন সিদ্ধার্থ স্যারের শেষ কর্মদিবস

৩৫ বছরের শিক্ষকতা শেষে বিদায়, আবেগঘন সিদ্ধার্থ স্যারের শেষ কর্মদিবস

জিয়ানগরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

জিয়ানগরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

সাবলেট নিয়ে সেই বাসার শিশুকেই অপহরণ, ফাঁদ পেতে ধরা পড়ল দম্পতি

সাবলেট নিয়ে সেই বাসার শিশুকেই অপহরণ, ফাঁদ পেতে ধরা পড়ল দম্পতি
সাবলেট নিয়ে সেই বাসার শিশুকেই অপহরণ, ফাঁদ পেতে ধরা পড়ল দম্পতি ছোট শিশু আছে—এমন পরিবারের বাসায় সাবলেট নিয়ে ওঠে তারা। প্রথমে সখ্যতা গড়ে তোলে, এরপর সুযোগ বুঝে সন্তানকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করে। না দিলে শুরু হয় নির্যাতন ও প্রাণনাশের হুমকি। সম্প্রতি রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে এমনই এক শিশুকে অপহরণের ঘটনায় এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার শুরু কামরাঙ্গীরচরে ১৯ অক্টোবর আলীনগরের বাসায় খেলছিল চার বছরের শিশু আব্দুল হাদি নূর। তার মা তখন পাশেই ঘুমিয়ে ছিলেন। ঘুম ভাঙতেই দেখেন সন্তান নেই। একই সঙ্গে নিখোঁজ হন পাশের সাবলেট ভাড়াটিয়া দম্পতি। ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তারা জানায়, নূর তাদের কাছেই আছে। কিছু সময় পর ফোন বন্ধ করে দেয় তারা। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, শিশুটিকে কোলে নিয়ে বাসা থেকে বের হচ্ছেন দম্পতি। পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি করেও ছেলেকে না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন। মুক্তিপণের দাবি পরবর্তীতে শিশুর মায়ের ইমো অ্যাকাউন্টে একটি মেসেজ আসে—“তোমার ছেলে আমাদের কাছে, তাকে ফেরত পেতে হলে দিতে হবে ১ লাখ টাকা।” না দিলে বুড়িগঙ্গায় ফেলে দেওয়ার হুমকি দেয় অপহরণকারীরা। ভয়ে নূরের পরিবার প্রথমে ৫ হাজার টাকা পাঠায়। কিন্তু তাতে কোনো সাড়া না পেয়ে পুলিশের সহায়তা নেয় তারা। তথ্যপ্রযুক্তির জালে অপহরণকারী দম্পতি দুই দিন ধরে অনুসন্ধানের পর পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় শিশুর অবস্থান শনাক্ত করে মিরপুরের ক্লাসিক আবাসিক হোটেলে। সেখানে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করা হয় অপহৃত নূরকে এবং গ্রেপ্তার করা হয় ফয়সাল ও কাকলী আক্তার দম্পতিকে। পূর্বপরিকল্পিত অপহরণ পুলিশ জানায়, দম্পতি ১৫ দিন আগে ওই পরিবারের বাসায় সাবলেট হিসেবে ওঠে। ধীরে ধীরে শিশুটির সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলে। ঘটনার দিন চিপস কেনার লোভ দেখিয়ে শিশুটিকে নিয়ে পালায় তারা। কামরাঙ্গীরচর থানার ওসি আমিরুল ইসলাম বলেন, “ওরা পরিকল্পিতভাবে সাবলেট নেয়, কিছুদিন থেকে পরিবেশ বুঝে নেয়, তারপরই সুযোগ মতো শিশু অপহরণ করে।” বৃহত্তর চক্রের ইঙ্গিত অভিযানে তাদের কাছ থেকে ১৫-২০টি সিমকার্ড উদ্ধার করা হয়েছে, যার কোনোটি তাদের নিজের নামে নয়। পুলিশ ধারণা করছে, এ দম্পতি মানবপাচারকারী একটি চক্রের সঙ্গে যুক্ত। বিষয়টি যাচাইয়ে তদন্ত চলছে। পুলিশের পরামর্শ পুলিশ নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেছে, সাবলেট দেওয়ার আগে ভাড়াটিয়ার পরিচয় যাচাই করা, জাতীয় পরিচয়পত্র ও স্থানীয় রেফারেন্স নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। সামান্য অসাবধানতাই হতে পারে বড় বিপদের কারণ।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


সাবলেট নিয়ে সেই বাসার শিশুকেই অপহরণ, ফাঁদ পেতে ধরা পড়ল দম্পতি

প্রকাশের তারিখ : ২৩ অক্টোবর ২০২৫

featured Image
সাবলেট নিয়ে সেই বাসার শিশুকেই অপহরণ, ফাঁদ পেতে ধরা পড়ল দম্পতি ছোট শিশু আছে—এমন পরিবারের বাসায় সাবলেট নিয়ে ওঠে তারা। প্রথমে সখ্যতা গড়ে তোলে, এরপর সুযোগ বুঝে সন্তানকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করে। না দিলে শুরু হয় নির্যাতন ও প্রাণনাশের হুমকি। সম্প্রতি রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে এমনই এক শিশুকে অপহরণের ঘটনায় এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার শুরু কামরাঙ্গীরচরে ১৯ অক্টোবর আলীনগরের বাসায় খেলছিল চার বছরের শিশু আব্দুল হাদি নূর। তার মা তখন পাশেই ঘুমিয়ে ছিলেন। ঘুম ভাঙতেই দেখেন সন্তান নেই। একই সঙ্গে নিখোঁজ হন পাশের সাবলেট ভাড়াটিয়া দম্পতি। ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তারা জানায়, নূর তাদের কাছেই আছে। কিছু সময় পর ফোন বন্ধ করে দেয় তারা। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, শিশুটিকে কোলে নিয়ে বাসা থেকে বের হচ্ছেন দম্পতি। পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি করেও ছেলেকে না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন। মুক্তিপণের দাবি পরবর্তীতে শিশুর মায়ের ইমো অ্যাকাউন্টে একটি মেসেজ আসে—“তোমার ছেলে আমাদের কাছে, তাকে ফেরত পেতে হলে দিতে হবে ১ লাখ টাকা।” না দিলে বুড়িগঙ্গায় ফেলে দেওয়ার হুমকি দেয় অপহরণকারীরা। ভয়ে নূরের পরিবার প্রথমে ৫ হাজার টাকা পাঠায়। কিন্তু তাতে কোনো সাড়া না পেয়ে পুলিশের সহায়তা নেয় তারা। তথ্যপ্রযুক্তির জালে অপহরণকারী দম্পতি দুই দিন ধরে অনুসন্ধানের পর পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় শিশুর অবস্থান শনাক্ত করে মিরপুরের ক্লাসিক আবাসিক হোটেলে। সেখানে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করা হয় অপহৃত নূরকে এবং গ্রেপ্তার করা হয় ফয়সাল ও কাকলী আক্তার দম্পতিকে। পূর্বপরিকল্পিত অপহরণ পুলিশ জানায়, দম্পতি ১৫ দিন আগে ওই পরিবারের বাসায় সাবলেট হিসেবে ওঠে। ধীরে ধীরে শিশুটির সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলে। ঘটনার দিন চিপস কেনার লোভ দেখিয়ে শিশুটিকে নিয়ে পালায় তারা। কামরাঙ্গীরচর থানার ওসি আমিরুল ইসলাম বলেন, “ওরা পরিকল্পিতভাবে সাবলেট নেয়, কিছুদিন থেকে পরিবেশ বুঝে নেয়, তারপরই সুযোগ মতো শিশু অপহরণ করে।” বৃহত্তর চক্রের ইঙ্গিত অভিযানে তাদের কাছ থেকে ১৫-২০টি সিমকার্ড উদ্ধার করা হয়েছে, যার কোনোটি তাদের নিজের নামে নয়। পুলিশ ধারণা করছে, এ দম্পতি মানবপাচারকারী একটি চক্রের সঙ্গে যুক্ত। বিষয়টি যাচাইয়ে তদন্ত চলছে। পুলিশের পরামর্শ পুলিশ নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেছে, সাবলেট দেওয়ার আগে ভাড়াটিয়ার পরিচয় যাচাই করা, জাতীয় পরিচয়পত্র ও স্থানীয় রেফারেন্স নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। সামান্য অসাবধানতাই হতে পারে বড় বিপদের কারণ।

ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল