বাবা হওয়ার আগেই চলে গেলেন সোহেল ফকির, শোকের ঘরে এলো পুত্র সন্তানের কান্না
রাজধানীর সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো সোহেল ফকিরের মৃত্যুর পর নেমে এসেছিল গভীর শোকের ছায়া। পরিবার, স্বজন—সবাই তখনও শোক কাটিয়ে উঠতে পারেনি। এরই মাঝে এলো এক হৃদয়ছোঁয়া কিন্তু বেদনাময় খবর—সোহেলের স্ত্রী জন্ম দিয়েছেন একটি পুত্র সন্তানের।
যে সন্তানকে ঘিরে হয়তো হাজার স্বপ্ন ছিল বাবার, সেই সন্তান পৃথিবীর আলো দেখলেও আর দেখা হলো না বাবার মুখ। আবার সন্তানও কোনোদিন দেখতে পারবে না তার বাবাকে। জন্মের আগেই বাবাহারা হয়ে পৃথিবীতে আসা এই নবজাতককে ঘিরে স্বজনদের চোখে আজ আনন্দ আর কান্না—দুই অনুভূতিই একসঙ্গে।
সদরঘাটের সেই মর্মান্তিক লঞ্চ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানোর পর সোহেল ফকির রেখে গিয়েছিলেন বৃদ্ধ মা, তিন বোন এবং অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে। পরিবারটি যখন শোক আর অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন পার করছিল, তখনই নবজাতকের আগমন যেন অন্ধকারের মাঝে এক টুকরো আলোর বার্তা হয়ে আসে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, এই শিশুই এখন বহন করবে নিহত সোহেল ফকিরের স্মৃতি ও উত্তরাধিকার। একই সঙ্গে অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়াতে সমাজের মানবিক ও বিত্তবান মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা-এর ১১ নম্বর চানপুর ইউনিয়নের এই পরিবারে নবজাতকের আগমন একদিকে আনন্দের উপলক্ষ হলেও, অন্যদিকে এটি যেন এক গভীর বেদনার নতুন অধ্যায়। মহান আল্লাহ শিশুটিকে সুস্থ রাখুন এবং পরিবারটিকে ধৈর্য দান করুন।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
বাবা হওয়ার আগেই চলে গেলেন সোহেল ফকির, শোকের ঘরে এলো পুত্র সন্তানের কান্না
রাজধানীর সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো সোহেল ফকিরের মৃত্যুর পর নেমে এসেছিল গভীর শোকের ছায়া। পরিবার, স্বজন—সবাই তখনও শোক কাটিয়ে উঠতে পারেনি। এরই মাঝে এলো এক হৃদয়ছোঁয়া কিন্তু বেদনাময় খবর—সোহেলের স্ত্রী জন্ম দিয়েছেন একটি পুত্র সন্তানের।
যে সন্তানকে ঘিরে হয়তো হাজার স্বপ্ন ছিল বাবার, সেই সন্তান পৃথিবীর আলো দেখলেও আর দেখা হলো না বাবার মুখ। আবার সন্তানও কোনোদিন দেখতে পারবে না তার বাবাকে। জন্মের আগেই বাবাহারা হয়ে পৃথিবীতে আসা এই নবজাতককে ঘিরে স্বজনদের চোখে আজ আনন্দ আর কান্না—দুই অনুভূতিই একসঙ্গে।
সদরঘাটের সেই মর্মান্তিক লঞ্চ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানোর পর সোহেল ফকির রেখে গিয়েছিলেন বৃদ্ধ মা, তিন বোন এবং অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে। পরিবারটি যখন শোক আর অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন পার করছিল, তখনই নবজাতকের আগমন যেন অন্ধকারের মাঝে এক টুকরো আলোর বার্তা হয়ে আসে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, এই শিশুই এখন বহন করবে নিহত সোহেল ফকিরের স্মৃতি ও উত্তরাধিকার। একই সঙ্গে অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়াতে সমাজের মানবিক ও বিত্তবান মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা-এর ১১ নম্বর চানপুর ইউনিয়নের এই পরিবারে নবজাতকের আগমন একদিকে আনন্দের উপলক্ষ হলেও, অন্যদিকে এটি যেন এক গভীর বেদনার নতুন অধ্যায়। মহান আল্লাহ শিশুটিকে সুস্থ রাখুন এবং পরিবারটিকে ধৈর্য দান করুন।

আপনার মতামত লিখুন