ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপডেট : শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

দুই হাতের আঙুল নেই, পা দিয়ে লিখে স্বপ্নের পথে কলি

দুই হাতের আঙুল নেই, পা দিয়ে লিখে স্বপ্নের পথে কলি

এইচএসসিতে ৩০০ পরীক্ষার্থীর ২৪৭ জনই ফেল, শিক্ষকদের ফুল দিয়ে ছাত্রদলের অভিনব প্রতিবাদ

এইচএসসিতে ৩০০ পরীক্ষার্থীর ২৪৭ জনই ফেল, শিক্ষকদের ফুল দিয়ে ছাত্রদলের অভিনব প্রতিবাদ

দুর্ঘটনায় পা ভেঙে অসহায় বাবা, মায়ের সঙ্গে যায়নি ছোট্ট মেয়ে! বাবার সেবায় দিন কাটছে শিশুটির

দুর্ঘটনায় পা ভেঙে অসহায় বাবা, মায়ের সঙ্গে যায়নি ছোট্ট মেয়ে! বাবার সেবায় দিন কাটছে শিশুটির

দুই হাত নেই, পা দিয়ে লিখেই এইচএসসিতে জিপিএ-৫! বিজ্ঞানী হওয়ার স্বপ্ন অদম্য মেধাবী রাব্বির

দুই হাত নেই, পা দিয়ে লিখেই এইচএসসিতে জিপিএ-৫! বিজ্ঞানী হওয়ার স্বপ্ন অদম্য মেধাবী রাব্বির

রেডিও শোনার নেশায় বিক্রি করেছিলেন ৬ বিঘা জমি, কেন এমন পাগলামি?

রেডিও শোনার নেশায় বিক্রি করেছিলেন ৬ বিঘা জমি, কেন এমন পাগলামি?

৫২ বছর বয়সে এইচএসসিতে জিপিএ ৪.২১, স্বপ্নপূরণে অনন্য দৃষ্টান্ত শেফালী বেগমের

৫২ বছর বয়সে এইচএসসিতে জিপিএ ৪.২১, স্বপ্নপূরণে অনন্য দৃষ্টান্ত শেফালী বেগমের

ফার্মেসিতে অভিযান, অনিয়ম না পেয়ে জরিমানা ছাড়াই ফিরলেন জব্বার স্যার

ফার্মেসিতে অভিযান, অনিয়ম না পেয়ে জরিমানা ছাড়াই ফিরলেন জব্বার স্যার

পাবনার সোনাপাতি বিলে বজ্রপাতে ঝরে গেল তরুণ ও কিশোরদের প্রাণ

পাবনার সোনাপাতি বিলে বজ্রপাতে ঝরে গেল তরুণ ও কিশোরদের প্রাণ

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি-র উদ্বেগ

এখন টিভির চার সাংবাদিককে বা'ধ্যতামূলক ছুটি

এখন টিভির চার সাংবাদিককে বা'ধ্যতামূলক ছুটি
ছবি সংগৃহীত

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি-র উদ্বেগ

এখন টিভির চার সাংবাদিককে বাধ্যতামূলক ছুটি

বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এখন টিভি-এর চার সাংবাদিককে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো এবং তাদের নিউজরুমে প্রবেশে বাধা দেওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)। সংগঠনটি মনে করছে, এ ধরনের প্রশাসনিক পদক্ষেপ গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত নিরাপত্তা ও স্বাধীনতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

ডিআরইউ এক বিবৃতিতে জানায়, কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ নীতিমালা অনুযায়ী স্বচ্ছ ও ন্যায্য তদন্তের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা উচিত। তবে তদন্তের আগেই বাধ্যতামূলক ছুটি দেওয়া কিংবা কর্মস্থলে প্রবেশে বাধা দেওয়া সঠিক পদ্ধতি নয়। এতে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি গণমাধ্যমের স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত হতে পারে।

সংগঠনটির নেতারা বলেন, সাংবাদিকতা একটি দায়িত্বশীল পেশা। এখানে মতভেদ, সম্পাদকীয় সিদ্ধান্ত বা পেশাগত বিরোধ থাকতে পারে। কিন্তু সেসব ইস্যু সমাধানে সংলাপ ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়াই হওয়া উচিত প্রধান উপায়। হঠাৎ প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত পরিস্থিতিকে জটিল করে তোলে এবং কর্মীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করে।

ডিআরইউ আরও উল্লেখ করে, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রবণতা উদ্বেগজনক। এতে সাংবাদিক সমাজে ভীতি ও চাপের পরিবেশ তৈরি হতে পারে। একটি স্বাধীন ও কার্যকর গণমাধ্যম ব্যবস্থার জন্য সাংবাদিকদের ন্যায্য অধিকার ও কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।

সংগঠনটি সংশ্লিষ্ট টেলিভিশন কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, বিষয়টি দ্রুত সমাধানে গঠনমূলক উদ্যোগ নিতে হবে। প্রয়োজনে উভয় পক্ষের আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান বের করা যেতে পারে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে যদি কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকে, তা স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকাশ করা উচিত।

এদিকে, বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো চার সাংবাদিকের বিষয়ে বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা এখনো প্রকাশ্যে আসেনি। ফলে ঘটনার প্রকৃত কারণ নিয়ে সাংবাদিক মহলে নানা আলোচনা চলছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পরিষ্কার ব্যাখ্যা না থাকলে জল্পনা-কল্পনা বাড়তে পারে এবং তা প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তিতেও প্রভাব ফেলতে পারে।

গণমাধ্যম বিশ্লেষকদের মতে, একটি সুস্থ সংবাদ পরিবেশের জন্য পারস্পরিক আস্থা ও পেশাগত সম্মান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হলে এমন পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব।

পরিস্থিতি কীভাবে এগোয়, তা এখন নজরে রেখেছে সাংবাদিক সমাজ। ডিআরইউ আশা করছে, দ্রুত সময়ের মধ্যে বিষয়টির সমাধান হবে এবং গণমাধ্যমের স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬


এখন টিভির চার সাংবাদিককে বা'ধ্যতামূলক ছুটি

প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি-র উদ্বেগ

এখন টিভির চার সাংবাদিককে বাধ্যতামূলক ছুটি

বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এখন টিভি-এর চার সাংবাদিককে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো এবং তাদের নিউজরুমে প্রবেশে বাধা দেওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)। সংগঠনটি মনে করছে, এ ধরনের প্রশাসনিক পদক্ষেপ গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত নিরাপত্তা ও স্বাধীনতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

ডিআরইউ এক বিবৃতিতে জানায়, কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ নীতিমালা অনুযায়ী স্বচ্ছ ও ন্যায্য তদন্তের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা উচিত। তবে তদন্তের আগেই বাধ্যতামূলক ছুটি দেওয়া কিংবা কর্মস্থলে প্রবেশে বাধা দেওয়া সঠিক পদ্ধতি নয়। এতে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি গণমাধ্যমের স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত হতে পারে।

সংগঠনটির নেতারা বলেন, সাংবাদিকতা একটি দায়িত্বশীল পেশা। এখানে মতভেদ, সম্পাদকীয় সিদ্ধান্ত বা পেশাগত বিরোধ থাকতে পারে। কিন্তু সেসব ইস্যু সমাধানে সংলাপ ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়াই হওয়া উচিত প্রধান উপায়। হঠাৎ প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত পরিস্থিতিকে জটিল করে তোলে এবং কর্মীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করে।

ডিআরইউ আরও উল্লেখ করে, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রবণতা উদ্বেগজনক। এতে সাংবাদিক সমাজে ভীতি ও চাপের পরিবেশ তৈরি হতে পারে। একটি স্বাধীন ও কার্যকর গণমাধ্যম ব্যবস্থার জন্য সাংবাদিকদের ন্যায্য অধিকার ও কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।

সংগঠনটি সংশ্লিষ্ট টেলিভিশন কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, বিষয়টি দ্রুত সমাধানে গঠনমূলক উদ্যোগ নিতে হবে। প্রয়োজনে উভয় পক্ষের আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান বের করা যেতে পারে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে যদি কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকে, তা স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকাশ করা উচিত।

এদিকে, বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো চার সাংবাদিকের বিষয়ে বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা এখনো প্রকাশ্যে আসেনি। ফলে ঘটনার প্রকৃত কারণ নিয়ে সাংবাদিক মহলে নানা আলোচনা চলছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পরিষ্কার ব্যাখ্যা না থাকলে জল্পনা-কল্পনা বাড়তে পারে এবং তা প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তিতেও প্রভাব ফেলতে পারে।

গণমাধ্যম বিশ্লেষকদের মতে, একটি সুস্থ সংবাদ পরিবেশের জন্য পারস্পরিক আস্থা ও পেশাগত সম্মান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হলে এমন পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব।

পরিস্থিতি কীভাবে এগোয়, তা এখন নজরে রেখেছে সাংবাদিক সমাজ। ডিআরইউ আশা করছে, দ্রুত সময়ের মধ্যে বিষয়টির সমাধান হবে এবং গণমাধ্যমের স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।


ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল