দীর্ঘদিন পর মানুষে ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছেন : মির্জা ফখরুল
দীর্ঘদিন পর দেশের মানুষ আবার তাদের ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছেন—এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন ও ধারাবাহিক সংগ্রামের ফলেই আজ মানুষ তাদের মৌলিক গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধারের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।
আজ এক রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, “গত অনেক বছর ধরে বাংলাদেশের মানুষ ভোট দেওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। দিনের ভোট রাতে হয়েছে, জনগণের মতামতকে উপেক্ষা করা হয়েছে। কিন্তু মানুষ কখনোই চুপ করে থাকে না। আজ সেই মানুষই আবার জেগে উঠেছে।”
তিনি বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে জনগণ প্রমাণ করেছে—এই দেশ কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। দেশের মালিক জনগণ, আর সেই জনগণই এখন তাদের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার করছে।
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, একটি গ্রহণযোগ্য, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনই পারে দেশের রাজনৈতিক সংকটের স্থায়ী সমাধান দিতে। তিনি দাবি করেন, নিরপেক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থা ছাড়া গণতন্ত্র কখনোই টেকসই হতে পারে না।
বিএনপির মহাসচিব অভিযোগ করে বলেন, বিগত সময়ে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করে জনগণের কণ্ঠরোধ করা হয়েছে। বিরোধী মত দমন করা হয়েছে, হাজার হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও গ্রেপ্তার চালানো হয়েছে। তবুও মানুষ ভয় পায়নি, বরং আরও ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।
তিনি বলেন, “আজ মানুষ বুঝে গেছে—ভোটাধিকার মানেই শুধু ব্যালট নয়, ভোটাধিকার মানে মত প্রকাশের স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার এবং একটি জবাবদিহিমূলক সরকার।”
মির্জা ফখরুল বলেন, জনগণের এই জাগরণই ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়ার মূল শক্তি। তিনি সকল রাজনৈতিক দল ও সাধারণ মানুষকে গণতন্ত্র রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
বক্তব্যের শেষ দিকে তিনি বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি—এই দেশের মানুষ আর কখনো ভোটাধিকার ছাড়া থাকবে না। জনগণের ভোটেই গঠিত হবে আগামীর সরকার, ইনশাআল্লাহ।”
তার এই বক্তব্যে উপস্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়ে এবং তারা গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
দীর্ঘদিন পর মানুষে ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছেন : মির্জা ফখরুল
দীর্ঘদিন পর দেশের মানুষ আবার তাদের ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছেন—এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন ও ধারাবাহিক সংগ্রামের ফলেই আজ মানুষ তাদের মৌলিক গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধারের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।
আজ এক রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, “গত অনেক বছর ধরে বাংলাদেশের মানুষ ভোট দেওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। দিনের ভোট রাতে হয়েছে, জনগণের মতামতকে উপেক্ষা করা হয়েছে। কিন্তু মানুষ কখনোই চুপ করে থাকে না। আজ সেই মানুষই আবার জেগে উঠেছে।”
তিনি বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে জনগণ প্রমাণ করেছে—এই দেশ কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। দেশের মালিক জনগণ, আর সেই জনগণই এখন তাদের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার করছে।
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, একটি গ্রহণযোগ্য, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনই পারে দেশের রাজনৈতিক সংকটের স্থায়ী সমাধান দিতে। তিনি দাবি করেন, নিরপেক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থা ছাড়া গণতন্ত্র কখনোই টেকসই হতে পারে না।
বিএনপির মহাসচিব অভিযোগ করে বলেন, বিগত সময়ে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করে জনগণের কণ্ঠরোধ করা হয়েছে। বিরোধী মত দমন করা হয়েছে, হাজার হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও গ্রেপ্তার চালানো হয়েছে। তবুও মানুষ ভয় পায়নি, বরং আরও ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।
তিনি বলেন, “আজ মানুষ বুঝে গেছে—ভোটাধিকার মানেই শুধু ব্যালট নয়, ভোটাধিকার মানে মত প্রকাশের স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার এবং একটি জবাবদিহিমূলক সরকার।”
মির্জা ফখরুল বলেন, জনগণের এই জাগরণই ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়ার মূল শক্তি। তিনি সকল রাজনৈতিক দল ও সাধারণ মানুষকে গণতন্ত্র রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
বক্তব্যের শেষ দিকে তিনি বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি—এই দেশের মানুষ আর কখনো ভোটাধিকার ছাড়া থাকবে না। জনগণের ভোটেই গঠিত হবে আগামীর সরকার, ইনশাআল্লাহ।”
তার এই বক্তব্যে উপস্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়ে এবং তারা গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন