বাবার সমাধিতে অশ্রুসিক্ত তারেক রহমান
শ্রদ্ধা, স্মৃতি আর আবেগে ভেজা এক হৃদয়স্পর্শী মুহূর্তঢাকা: মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক ও বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের সমাধিতে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বাবার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠের সময় আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তিনি। অশ্রুসিক্ত চোখে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন দীর্ঘ সময়—এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের জন্ম দেয় এই মুহূর্ত।
সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত শহীদ জিয়াউর রহমানের মাজার প্রাঙ্গণে উপস্থিত হন তারেক রহমান। সঙ্গে ছিলেন বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, দলের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী এবং শহীদ রাষ্ট্রপতির ভক্ত-অনুরাগীরা। এ সময় পুরো মাজার এলাকা ভারী হয়ে ওঠে শোক, শ্রদ্ধা ও আবেগে।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর তারেক রহমান নীরবে দাঁড়িয়ে বাবার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া করেন। ফাতেহা পাঠ শেষে তাকে কিছুটা বিমর্ষ দেখা যায়। একপর্যায়ে চোখ মুছতে দেখা যায় তাকে। পাশে থাকা নেতাকর্মীরাও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
“বাবার আদর্শই আমার পথচলার প্রেরণা”
দোয়া শেষে সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় তারেক রহমান বলেন,
“আমার বাবা শুধু একজন রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন দেশপ্রেমিক সৈনিক। তার আদর্শ, ত্যাগ ও সাহসই আমার রাজনৈতিক জীবনের প্রধান প্রেরণা। এই দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমরা তার দেখানো পথেই এগিয়ে যেতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান আজীবন মানুষের ভোটাধিকার, বাকস্বাধীনতা ও জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কাজ করেছেন। বর্তমান সময়ে সেই আদর্শ আরও বেশি প্রাসঙ্গিক।
নেতাকর্মীদের ঢল, শোক ও শপথ
মাজার প্রাঙ্গণে এ সময় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। অনেকেই চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি। কেউ কেউ শহীদ জিয়ার স্মৃতিচারণ করেন, আবার কেউ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের শপথ নেন।
বিএনপির এক সিনিয়র নেতা বলেন,
“আজ আমরা শুধু একজন নেতার কবর জিয়ারত করিনি, আমরা শপথ নিয়েছি তার আদর্শ বাস্তবায়নের।”
আবেগঘন পরিবেশে কর্মসূচির সমাপ্তি
শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া শেষে তারেক রহমান মাজার প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন। পুরো সময়জুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি সম্পন্ন হয়।
বাবার সমাধিতে অশ্রুসিক্ত এই উপস্থিতি শুধু একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়—এটি ছিল একজন সন্তানের হৃদয়ভাঙা ভালোবাসা, স্মৃতি আর দায়িত্ববোধের নীরব প্রকাশ। শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শকে ধারণ করেই যে তারেক রহমান ভবিষ্যতের পথচলা অব্যাহত রাখবেন—এই বার্তাই যেন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে আজকের এই আবেগঘন মুহূর্তে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
বাবার সমাধিতে অশ্রুসিক্ত তারেক রহমান
শ্রদ্ধা, স্মৃতি আর আবেগে ভেজা এক হৃদয়স্পর্শী মুহূর্তঢাকা: মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক ও বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের সমাধিতে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বাবার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠের সময় আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তিনি। অশ্রুসিক্ত চোখে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন দীর্ঘ সময়—এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের জন্ম দেয় এই মুহূর্ত।
সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত শহীদ জিয়াউর রহমানের মাজার প্রাঙ্গণে উপস্থিত হন তারেক রহমান। সঙ্গে ছিলেন বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, দলের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী এবং শহীদ রাষ্ট্রপতির ভক্ত-অনুরাগীরা। এ সময় পুরো মাজার এলাকা ভারী হয়ে ওঠে শোক, শ্রদ্ধা ও আবেগে।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর তারেক রহমান নীরবে দাঁড়িয়ে বাবার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া করেন। ফাতেহা পাঠ শেষে তাকে কিছুটা বিমর্ষ দেখা যায়। একপর্যায়ে চোখ মুছতে দেখা যায় তাকে। পাশে থাকা নেতাকর্মীরাও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
“বাবার আদর্শই আমার পথচলার প্রেরণা”
দোয়া শেষে সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় তারেক রহমান বলেন,
“আমার বাবা শুধু একজন রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন দেশপ্রেমিক সৈনিক। তার আদর্শ, ত্যাগ ও সাহসই আমার রাজনৈতিক জীবনের প্রধান প্রেরণা। এই দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমরা তার দেখানো পথেই এগিয়ে যেতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান আজীবন মানুষের ভোটাধিকার, বাকস্বাধীনতা ও জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কাজ করেছেন। বর্তমান সময়ে সেই আদর্শ আরও বেশি প্রাসঙ্গিক।
নেতাকর্মীদের ঢল, শোক ও শপথ
মাজার প্রাঙ্গণে এ সময় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। অনেকেই চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি। কেউ কেউ শহীদ জিয়ার স্মৃতিচারণ করেন, আবার কেউ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের শপথ নেন।
বিএনপির এক সিনিয়র নেতা বলেন,
“আজ আমরা শুধু একজন নেতার কবর জিয়ারত করিনি, আমরা শপথ নিয়েছি তার আদর্শ বাস্তবায়নের।”
আবেগঘন পরিবেশে কর্মসূচির সমাপ্তি
শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া শেষে তারেক রহমান মাজার প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন। পুরো সময়জুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি সম্পন্ন হয়।
বাবার সমাধিতে অশ্রুসিক্ত এই উপস্থিতি শুধু একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়—এটি ছিল একজন সন্তানের হৃদয়ভাঙা ভালোবাসা, স্মৃতি আর দায়িত্ববোধের নীরব প্রকাশ। শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শকে ধারণ করেই যে তারেক রহমান ভবিষ্যতের পথচলা অব্যাহত রাখবেন—এই বার্তাই যেন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে আজকের এই আবেগঘন মুহূর্তে।

আপনার মতামত লিখুন