তেহরানে দফায় দফায় যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের যৌথ হামলা, পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইরান
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে রাজধানী Tehran-এ দফায় দফায় হামলা চালাচ্ছে United States ও Israel। পাল্টা হামলা অব্যাহত রেখেছে Iranও। ফলে পুরো অঞ্চলে যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।
শনিবার বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, প্রতি ঘণ্টায় নতুন করে হামলার শিকার হচ্ছে ইরান। বিশেষ করে রাজধানী তেহরানসহ গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও সরকারি অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হচ্ছে।
মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর দাবি, এসব হামলার লক্ষ্য ইরানের সামরিক স্থাপনা, অস্ত্রভাণ্ডার ও যোগাযোগ অবকাঠামো ধ্বংস করা। তারা বলছে, ইরানের সামরিক সক্ষমতা কমিয়ে আনতেই এই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে ইরানও পাল্টা জবাব দিতে শুরু করেছে। ইরানের পক্ষ থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার লক্ষ্য করা হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং ইসরায়েলের মিত্রদের সামরিক ও জ্বালানি স্থাপনা।
ইরানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে এবং রাজধানীসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো রক্ষায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তারা সতর্ক করে বলেছে, হামলা অব্যাহত থাকলে এর জবাব আরও কঠোরভাবে দেওয়া হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই যৌথ হামলা মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। বিশেষ করে উপসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপথ এতে ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
এদিকে সংঘাত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। অনেক দেশই পরিস্থিতি শান্ত করতে সংযম ও কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে।

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬
তেহরানে দফায় দফায় যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের যৌথ হামলা, পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইরান
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে রাজধানী Tehran-এ দফায় দফায় হামলা চালাচ্ছে United States ও Israel। পাল্টা হামলা অব্যাহত রেখেছে Iranও। ফলে পুরো অঞ্চলে যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।
শনিবার বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, প্রতি ঘণ্টায় নতুন করে হামলার শিকার হচ্ছে ইরান। বিশেষ করে রাজধানী তেহরানসহ গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও সরকারি অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হচ্ছে।
মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর দাবি, এসব হামলার লক্ষ্য ইরানের সামরিক স্থাপনা, অস্ত্রভাণ্ডার ও যোগাযোগ অবকাঠামো ধ্বংস করা। তারা বলছে, ইরানের সামরিক সক্ষমতা কমিয়ে আনতেই এই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে ইরানও পাল্টা জবাব দিতে শুরু করেছে। ইরানের পক্ষ থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার লক্ষ্য করা হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং ইসরায়েলের মিত্রদের সামরিক ও জ্বালানি স্থাপনা।
ইরানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে এবং রাজধানীসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো রক্ষায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তারা সতর্ক করে বলেছে, হামলা অব্যাহত থাকলে এর জবাব আরও কঠোরভাবে দেওয়া হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই যৌথ হামলা মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। বিশেষ করে উপসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপথ এতে ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
এদিকে সংঘাত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। অনেক দেশই পরিস্থিতি শান্ত করতে সংযম ও কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন