মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত দ্রুত বন্ধ না হলে জ্বালানি রপ্তানিকারক দেশগুলো কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পারে—এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন কাতারের জ্বালানি মন্ত্রী সাদ আল-কাবি। তিনি বলেছেন, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে এর প্রভাব শুধু অঞ্চলে নয়, পুরো বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা দিতে পারে।
বিশ্ব অর্থনীতির জন্য বড় ঝুঁকি
সাদ আল-কাবি ব্রিটিশ সংবাদপত্র Financial Times–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, যদি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ আরও কয়েক সপ্তাহ ধরে চলে, তাহলে উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি রপ্তানিকারক দেশগুলো উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হতে পারে।
তার মতে, এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে—
তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১৫০ ডলারে পৌঁছাতে পারে
বিশ্বজুড়ে জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে যাবে
অনেক শিল্প কারখানা সরবরাহ বজায় রাখতে ব্যর্থ হবে
বিভিন্ন পণ্যের ঘাটতি দেখা দিতে পারে
কাতারের এলএনজি প্ল্যান্টে উৎপাদন বন্ধ
ড্রোন হামলার পর কাতার তাদের সবচেয়ে বড় তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) প্ল্যান্টে উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে।
এই এলএনজি প্ল্যান্টটি পরিচালনা করে QatarEnergy এবং এটি বিশ্বের অন্যতম বড় গ্যাস সরবরাহ কেন্দ্র। মন্ত্রী জানিয়েছেন, যুদ্ধ এখনই শেষ হলেও প্ল্যান্টটি আবার পুরোদমে চালু হতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে।
এশিয়ার দেশগুলোতে গ্যাস সংকটের আশঙ্কা
কাতারের এলএনজি সরবরাহ কমে গেলে—
বাংলাদেশ
ভারত
পাকিস্তান
সহ এশিয়ার অনেক দেশে গ্যাস সংকট তৈরি হতে পারে। কারণ এই দেশগুলোর বড় অংশের এলএনজি সরবরাহ কাতার থেকেই আসে।
যুদ্ধের পটভূমি
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরান–এ হামলা চালায়। এতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা নিহত হন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর জবাবে ইরান ইসরায়েলের মূল ভূখণ্ড এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায়। কাতারের Al Udeid Air Base ঘাঁটিসহ কিছু জ্বালানি স্থাপনাও হামলার মুখে পড়ে।

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত দ্রুত বন্ধ না হলে জ্বালানি রপ্তানিকারক দেশগুলো কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পারে—এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন কাতারের জ্বালানি মন্ত্রী সাদ আল-কাবি। তিনি বলেছেন, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে এর প্রভাব শুধু অঞ্চলে নয়, পুরো বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা দিতে পারে।
বিশ্ব অর্থনীতির জন্য বড় ঝুঁকি
সাদ আল-কাবি ব্রিটিশ সংবাদপত্র Financial Times–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, যদি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ আরও কয়েক সপ্তাহ ধরে চলে, তাহলে উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি রপ্তানিকারক দেশগুলো উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হতে পারে।
তার মতে, এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে—
তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১৫০ ডলারে পৌঁছাতে পারে
বিশ্বজুড়ে জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে যাবে
অনেক শিল্প কারখানা সরবরাহ বজায় রাখতে ব্যর্থ হবে
বিভিন্ন পণ্যের ঘাটতি দেখা দিতে পারে
কাতারের এলএনজি প্ল্যান্টে উৎপাদন বন্ধ
ড্রোন হামলার পর কাতার তাদের সবচেয়ে বড় তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) প্ল্যান্টে উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে।
এই এলএনজি প্ল্যান্টটি পরিচালনা করে QatarEnergy এবং এটি বিশ্বের অন্যতম বড় গ্যাস সরবরাহ কেন্দ্র। মন্ত্রী জানিয়েছেন, যুদ্ধ এখনই শেষ হলেও প্ল্যান্টটি আবার পুরোদমে চালু হতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে।
এশিয়ার দেশগুলোতে গ্যাস সংকটের আশঙ্কা
কাতারের এলএনজি সরবরাহ কমে গেলে—
বাংলাদেশ
ভারত
পাকিস্তান
সহ এশিয়ার অনেক দেশে গ্যাস সংকট তৈরি হতে পারে। কারণ এই দেশগুলোর বড় অংশের এলএনজি সরবরাহ কাতার থেকেই আসে।
যুদ্ধের পটভূমি
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরান–এ হামলা চালায়। এতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা নিহত হন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর জবাবে ইরান ইসরায়েলের মূল ভূখণ্ড এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায়। কাতারের Al Udeid Air Base ঘাঁটিসহ কিছু জ্বালানি স্থাপনাও হামলার মুখে পড়ে।

আপনার মতামত লিখুন