যশোরে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে প্রাথমিক শিক্ষক কর্মকর্তা আটক
যশোর জেলায় ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে এক প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে হাতেনাতে আটক করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আটক কর্মকর্তার নাম আশরাফুল আলম। তিনি যশোর জেলার প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, আশরাফুল আলমের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবির অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি যাচাই-বাছাই শুরু করে কমিশন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান চলাকালে ঘুষ গ্রহণের সময় আশরাফুল আলমকে হাতেনাতে আটক করে দুদকের একটি টিম। এ সময় তার কাছ থেকে ঘুষের টাকা উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। তবে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধারকৃত টাকার পরিমাণ প্রকাশ করা হয়নি।
আটকের পর তাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুদক কার্যালয়ে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে।
দুদক কর্মকর্তারা জানান, তদন্ত শেষে প্রাপ্ত তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে আশরাফুল আলমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কেউ দুর্নীতিতে জড়িত প্রমাণিত হলে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
এ ঘটনায় যশোর জেলায় সরকারি দপ্তরে দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। শিক্ষা বিভাগে এমন ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
দুর্নীতি দমন কমিশন বলছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে যেকোনো অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে তারা কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
যশোরে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে প্রাথমিক শিক্ষক কর্মকর্তা আটক
যশোর জেলায় ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে এক প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে হাতেনাতে আটক করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আটক কর্মকর্তার নাম আশরাফুল আলম। তিনি যশোর জেলার প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, আশরাফুল আলমের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবির অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি যাচাই-বাছাই শুরু করে কমিশন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান চলাকালে ঘুষ গ্রহণের সময় আশরাফুল আলমকে হাতেনাতে আটক করে দুদকের একটি টিম। এ সময় তার কাছ থেকে ঘুষের টাকা উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। তবে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধারকৃত টাকার পরিমাণ প্রকাশ করা হয়নি।
আটকের পর তাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুদক কার্যালয়ে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে।
দুদক কর্মকর্তারা জানান, তদন্ত শেষে প্রাপ্ত তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে আশরাফুল আলমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কেউ দুর্নীতিতে জড়িত প্রমাণিত হলে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
এ ঘটনায় যশোর জেলায় সরকারি দপ্তরে দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। শিক্ষা বিভাগে এমন ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
দুর্নীতি দমন কমিশন বলছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে যেকোনো অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে তারা কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন