যশোরে বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেনকে মাথায় গুলি, অবস্থা আশঙ্কাজনক
যশোর শহরের শংকর এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন গুরুতর আহত হয়েছেন। বুধবার রাতে শংকর এলাকার একটি সড়কে এ হামলার ঘটনা ঘটে। গুলিটি তার মাথায় লাগায় তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন রাতে শংকর এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেলে করে আসা অজ্ঞাত পরিচয়ের দুর্বৃত্তরা হঠাৎ তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। একটি গুলি সরাসরি তার মাথায় লাগে। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন। হামলার পর দুর্বৃত্তরা দ্রুত পালিয়ে যায়।
স্থানীয় লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে গুরুতর আহত অবস্থায় আলমগীর হোসেনকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিশেষায়িত হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তিনি বর্তমানে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে বিএনপি নেতাকর্মীরা হাসপাতালে ও ঘটনাস্থলে জড়ো হন। তারা এই হামলাকে পরিকল্পিত ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।
এদিকে ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। যশোর কোতোয়ালি থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হামলার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে। আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্তে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে যশোর শহরের শংকর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।
এই ঘটনায় যশোর শহরজুড়ে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬
যশোরে বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেনকে মাথায় গুলি, অবস্থা আশঙ্কাজনক
যশোর শহরের শংকর এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন গুরুতর আহত হয়েছেন। বুধবার রাতে শংকর এলাকার একটি সড়কে এ হামলার ঘটনা ঘটে। গুলিটি তার মাথায় লাগায় তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন রাতে শংকর এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেলে করে আসা অজ্ঞাত পরিচয়ের দুর্বৃত্তরা হঠাৎ তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। একটি গুলি সরাসরি তার মাথায় লাগে। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন। হামলার পর দুর্বৃত্তরা দ্রুত পালিয়ে যায়।
স্থানীয় লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে গুরুতর আহত অবস্থায় আলমগীর হোসেনকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিশেষায়িত হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তিনি বর্তমানে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে বিএনপি নেতাকর্মীরা হাসপাতালে ও ঘটনাস্থলে জড়ো হন। তারা এই হামলাকে পরিকল্পিত ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।
এদিকে ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। যশোর কোতোয়ালি থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হামলার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে। আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্তে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে যশোর শহরের শংকর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।
এই ঘটনায় যশোর শহরজুড়ে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আপনার মতামত লিখুন